রসায়ন ৪র্থ অধ্যায় এর এসএসসি ২০২৫ সাজেশন
রসায়নিক বন্ধন
☆ ‘ক’ এর জন্য :
১.ইলেক্ট্রন সংখ্যা কাকে বলে?
উওর: কোনো মৌলের ইলেক্ট্রন বিন্যসে সর্বশেষ কক্ষপথে যে ইলেক্ট্রন বা ইলেক্ট্রনসমূহ থাকে তাকে যোজ্যতা ইলেক্ট্রনসংখ্যা বলে।
২.যোজনী কাকে বলে?
উওর: অনু গঠনকালে কোন মৌলের একটি পরমাণুর সাথে অপর একটি মৌলের পরমাণু যুক্ত হওয়ার ক্ষমতাকে যোজনী বলে।
৩.রাসায়নিক সংকেত কাকে বলে?
উওর :মৌল বা যৌগমূলকের প্রতিক বা সংকেত ও তাদের সংখ্যার মাধ্যমে কোন যৌগের অনুকে প্রকাশ করাই হলো উক্ত যৌগের রাসায়নিক সংকেত।
৪.অষ্টক নিয়ম কাকে বলে?
উওর: পরামাণু সমূহ তার সর্বশেষ শক্তিস্থরে ৮টি ইলেক্ট্রন ধারন করে নিষ্ক্রয় গ্যাসের ইলেক্ট্রন বিন্যাস লাভের মাধ্যমে যৌগ গঠনের পদ্ধতিকে অষ্টক নিয়ম বলে।
৫.দুই এর নিয়ম কাকে বলে?
উওর: কোনো পরমাণুর সর্বশেষ শক্তিস্থরে এক বা একাধিক জোড়া ইলেক্ট্রন বিদ্যামান থাকাই হচ্ছে দুই এর নিয়ম।
৬.রাসায়নিক বন্ধন গঠনের মূল কারণ কী?
উওর: কারণ হলো পরমানুগুলোর সর্বশেষ শক্তিস্থরের ইলেক্ট্রনগুলো নিষ্ক্রিয় গ্যাসের স্থিতিশীল ইলেক্ট্রন বিন্যাস লাভের প্রবণতা।
৭.অ্যানায়ন কী?
উওর: ঞ্চনাত্বক আধানবিশিষ্ট অধাতব পরমানুকে অ্যানায়ন বলে।
৮.ক্যাটায়ন কী?
উওর :ধনাত্বক আধান বা পজিটিভ চার্জবিশিষ্ট আয়নকে ক্যাটায়ন বলে।
৯.তড়িৎযোজী বা আয়নিক বন্ধন কাকে বলে?
উওর: যে আকর্ষণ এর ফলে ক্যাটায়ন বা অ্যানায়ন পরস্পরের সাথে যুক্ত থাকে সেই আয়নকে তড়িৎযোজী বা আয়নিক বন্ধন বলে।
১০.সমযোজী বন্ধন কাকে বলে?
উওর: এক জোড়া ইলেক্ট্রন উভয় পরমাণুর শেয়ারের মাধ্যমে যে বন্ধন গঠিত হয় তাকে সমযোজী বন্ধন বলে।
১১.পোলার যৌগ কাকে বলে?
উওর: তড়িৎ ঞ্চনাত্বকতার পার্থক্য বিশিষ্ট যৌগকে পোলার যৌগ বলে।
১২.পারমানবিক শ্বাস কী?
উওর :ধাতুতে পরমাণু সমূহ তার সর্বশেষ শক্তিস্থরে এক বা একধিক ইলেক্ট্রনকে ত্যাগ করে ঞ্চনাত্বক আয়নে পরিণত হয় এই আয়নকে পারমাণবিক শ্বাস বলে।
১৩.ভ্যান্ডার ওয়ালস বল কী?
উওর দুটি সমযোজী অনু যখন খুবই নিকটবর্তী হয় তখন তাদের মধ্যে এক ধরনের আকর্ষণ বল কাজ করে এই বলকে ভ্যান্ডার ওয়ালস বল বলে।
১৪.বন্ধনজোড় ইলেক্ট্রন কাকে বলে?
উওর: বন্ধনজোড় ইলেক্ট্রন (Bond Pair Electrons) বলতে রাসায়নিক বন্ধন গঠনে অংশগ্রহণকারী ইলেক্ট্রন জোড়কে বোঝানো হয়।
১৫.মুক্তজোড় ইলেক্ট্রন কাকে বলে?
উওর: কোনো পরমাণুর যোজতা স্থরের যে ইলেক্ট্রন গুলো বন্ধন গঠনে অংশ নেয় না থাকে মুক্তজোড় ইলেক্ট্রন বলে।
‘খ’ এর জন্য :
◆ ইথানল একটি পোলার যৌগ ব্যাখ্যা করো।
◆গ্লোকোজ দ্রবণে বিদ্যুৎ পরিবহন করে না কেন?
◆ ইলেক্ট্রোস্ট্যাটিক বল বলতে কি বোঝ?
◆ Co32- -একটি যৌগমূলক ব্যাখ্যা করো।
◆ He এর স্থিতিশীলতা ব্যাখ্যা করো।
◆ কর্বনের যোজ্যতা ও যোজ্যতা ইলেকট্রন একই কেন?
◆ ধাতু তাপ সুপরিবাহী কেন?
◆ সকল ধাতুই বিদ্যুৎ পরিবাহী কেন?
◆ HCl একটি পোলার যৌগ ব্যাখ্যা করো?
◆ KCl এর গলনাঙ্ক ও স্ফুটনাঙ্ক বেশি কেন?
◆ ‘সমযোজী যৌগ জলীয় দ্রবনে বিদ্যুৎ পরিবহন করে না’-ব্যাখ্যা করো?
প্রস্তুতিমূলক সৃজনশীল প্রশ্ন
▪ X,Y ও Z মৌল তিনটির প্রোটন সংখ্যা যথাক্রমে 12,14,17 গ. X মৌলটির বিদ্যুৎ পরিবাহীতা ব্যাখ্যা করো।
[ X,Y,Z-প্রতিকী অর্থে ব্যবহৃত ] ঘ. উদ্দিপকের একটি মৌল একাধিক উপায়ে স্থিতিশীলতা
ক.যৌগমূলক কাকে বলে? অর্জন করে- বিশ্লেষণ কর।
খ.গলনাঙ্ক ও স্ফুটনাঙ্ক এর মধ্যে পার্থক্য লিখ।
0 Comments